বরিশালে দুই দিনের টানা বর্ষণ এবং কীর্তনখোলা নদীর জোয়ারের পানিতে বরিশাল নগরীর কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় বেড়েছে দুর্ভোগ।গেল ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল আবহাওয়া দপ্তর সর্বোচ্চ ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে। ৪৮ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে ২১৯ দশমিক ৫ মিলিমিটার।এতে শহরের প্রধান প্রধান সড়কসহ নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে খালে পরিণত হয়েছে। এছাড়াও নগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থার ভালো না থাকার কারণে শহরে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। খেটে খাওয়া মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।নগরীবাসী বলছেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার ভালো না থাকার কারণে সামান্য একটু বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের অধিকাংশ সড়ক। মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় গত কয়েকদিন ধরে বরিশাল ও এর আশেপাশে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে, যা কখনও গুড়ি গুড়ি আবার কখনও মাঝারি ও ভারি আকারে হচ্ছে।এছাড়া উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপও বৃষ্টির আরেকটি কারণ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। গেল ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত এবং কীর্তনখোলা নদীর জোয়ারের পানিতে নগরীর ড্রেন থেকে পানি এসে সড়ক প্লাবিত করেছে। এ কারণে নগরীর নবগ্রাম রোড থেকে শুরু করে বগুরা রোড, করিম কুটির, মুন্সির গ্যারেজ, বটতলা, কাউনিয়া, আলেকান্দা, কাশীপুর ও লাকুটিয়া এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।এতে করে দুর্ভোগে পড়েছেন সর্বস্তরের জনগণ। বিশেষ করে স্কুলের শিক্ষার্থীরা বেশি সমস্যায় পড়েছেন। এখন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে চলছে পরীক্ষা। যার ফলে বৃষ্টি এবং জলাবদ্ধতার মধ্যেই তাদেরকে পরীক্ষা হলে যেতে হচ্ছে।এছাড়া সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে কর্মরত থেকে শুরু করে সাধারণ নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার মধ্যেই চলাফেরা করতে হচ্ছে।বরিশাল আবহাওয়া দপ্তর সূত্র জানিয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে, যা এ মৌসুমে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড।এআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
