জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার অবহেলায় বৃক্ষরোপণের জন্য দেওয়া গাছের চারা, না লাগিয়ে নষ্ট করে ফেলে দিয়েছেন এমন অভিযোগ উঠেছে।মঙ্গলবার (৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের ৭০নং বারইপটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে জানা যায় এ ঘটনা। পরে সংবাদ পেয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিষয়টি পরির্দশন করে ঘটনার সত্যতা খুঁজেপান।জানা যায়, উপজেলা ভাটারা ইউনিয়নে বারইপটল গ্রামে ১৯২৩ সালে স্থাপিত হয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হেলেনা খাতুন।গত রবিবার (২২ জুন) সারাদেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সেই ধারাবাহিকতায় সরিষাবাড়ী উপজেলা প্রশাসনের কর্মসূচি অংশ হিসেবে উপজেলা বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রোপনের জন্য পাচঁটি করে গাছের চারা বিতরণ করেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একই দিনে গাছের চারা পান ৭০নং বারইপটল প্রাথমিক বিদ্যালয় কতৃর্পক্ষ। এদিকে দিনের পর দিন অতিবাহিত হয়ে প্রায় ১৬দিন পর গাছের চারা রোপন না করে অবহেলায় চারা গুলোকে নষ্ট করে টয়লেটের পিছনে ফেলে রাখেন। পরে এবিষয়টি স্থানীয় লোকজন ও সহকারি শিক্ষিকাদের নজরে পড়ে। সংবাদ পেয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় অনেকেই বলেন, তিনি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কর্মকান্ডে প্রশ্নবৃদ্ধ। গাছের চারা পেয়েও তিনি রোপন করেনি এটা সত্যিই দুঃখজনক। তাদের অবহেলায় এমন হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।বিদ্যালয়ের সরকারি শিক্ষক লাবণী আক্তার, মিতু আক্তার, ইয়াসমিন নাহার বলেন, গাছের চারা দিয়েছেন উপজেলা থেকে সেটা রোপন না করেই প্রধান শিক্ষিকা হেলেনা খাতুন ক্লাসরুম ফেলে রেখেছেন। পরে চারা গুলো নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা সহকারি শিক্ষকরা চারাগুলো রোপন করা বিষয়ে বলেছি, কিন্তু তিনি গুরুত্ব কোন দেয়নি। এঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হেলেনা খাতুন বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানে জায়গা নিয়ে এই গ্রামের মানুষের সাথে বিরোধ চলছে, তার জন্য গাছের চারা রোপন করা হয়নি। নতুন করে আবার গাছের চারা আনা হয়েছে। সেটা রোপন করা হবে।এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাহিদা ইয়াসমিন জানান, ‘সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে সত্যতা পেয়েছি। কথা ছিলো গাছের চারা লাগিয়ে ছবি তুলে তারা আমাদের ছবি দিবেন। কিন্তু তারা গাছের চারা রোপণ করেনি। আলোচনা সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এনআই
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
