ময়মনসিংহের নান্দাইলে অনাবাদী পতিত জমিতে প্রচুর পরিমাণে আগাছা ও ঘাস জন্ম নিয়েছে। জমিতে সর্বত্রই এই আগাছা থাকায় চাষিরা সেগুলোকে সরিয়ে ফেলতে হিমশিম খাচ্ছেন। ফলে রোপা আমন চাষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক।অনাবাদি জমিতে আগাছাগুলো দেখতে ফসলের মতো মনে হয়। বর্তমান সময়ে কৃষিশ্রমিক সংকট ও শ্রমিকের পারিশ্রমিক বেশি হওয়ায় তারা খেতের আগাছা ও ঘাস দমন করতে পারছেন না। তবে কেউ কেউ আগাছা নিজেরাই পরিষ্কার করছেন। অনেকেই ঘাস মরার ঔষধও প্রয়োগ করছেন।সরেজমিন রাজাপুর, কয়ারপুর, খারুয়া ও বীরকামট খালী গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি অনাবাদি জমি আগাছায় ছেয়ে গেছে। ছোটবড় ঘাস ও আগাছায় পুরো মাঠ একাকার হয়ে আছে।স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বোরো ফসল কাটার পর অনাবাদী পতিত জমিতে প্রচুর পরিমাণে আগাছা ও ঘাস জন্ম নিয়েছে। ছোটবড় ঘাস ও আগাছায় পুরো মাঠ একাকার হয়ে আছে।কয়ারপুর গ্রামের কৃষক শহীদ উল্লাহ, রফিক উদ্দিন, আবুল কাশেম, সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের অনাবাদী জমিতে প্রচুর পরিমাণে আগাছা ও ঘাস হয়েছে। এখন আগাছা পরিষ্কার করা নিয়ে খুব চিন্তায় আছি। কিভাবে খেতের ঘাস পরিষ্কার করব?’বীরকামট খালী গ্রামের কৃষক মোসলেম উদ্দিন, রোকন উদ্দিন, নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘বোরো ধান কাটার পর পতিত জমি ঘাস ও আগাছায় ভরে গেছে। ফলে জমি চাষাবাদ ও আমন রোপনে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে কৃষকদের।’রোপা আমন চাষাবাদ করতে কিছু কৃষক ইতিমধ্যে ট্রাক্টর মেশিন দিয়ে খেত হালচাষ শুরু করেছেন। চাষের পর খেত থেকে ঘাস ও আগাছা পরিষ্কার করছেন। অনেক কৃষক ঘাস মরার ঔষধও প্রয়োগ করছেন।নান্দাইল উপজেলার কৃষি অফিসার কৃষিবিদ নাঈমা সুলতানা বলেন, ‘বোরো ফসল কাটার পর অনাবাদী পতিত জমিতে প্রচুর পরিমাণে আগাছা ও ঘাস জন্ম নিয়েছে। জমি প্রস্তুত করার পূর্বে কৃষক যদি আগাছানাশক ঔষধ স্প্রে করে নেয় এবং ৫ থেকে ৭ দিন পরে রোপা আমন লাগায় তবে আগাছা আর থাকবে না।’তিনি জানান, এ বিষয়ে কৃষকদের পরামর্শ দিতে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
