অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের চালান নিয়ে আরও কয়েকটি পরিবহন উড়োজাহাজ (কার্গো) ইসরায়েলে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) এসব বিমান দেশটিতে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এসব অস্ত্র যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি থেকে এসেছে বলে জানায় তুরস্কের সরকারি সংবাদমাধ্যম আনাদলু।ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, ইরানের হামলা শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি থেকে এ নিয়ে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে ১৪টি কার্গো ইসরায়েলে পৌঁছেছে। সব মিলিয়ে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু করার পর ৮০০ কার্গো এ ধরনের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে ইসরায়েলে এসেছে।মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, অস্ত্রের এই সরবরাহ ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর আভিযানিক ধারাবাহিকতা জোরদার এবং এর সব ধরনের চাহিদা মেটানোর প্রচেষ্টারই অংশ। এটি যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জন এবং প্রস্তুতি ও মজুত বাড়ানো, উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ।তবে নতুন এসব চালানে কী ধরনের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেনি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি কর্তৃপক্ষও এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।এমন সময় অস্ত্রের নতুন চালানের এ কথা জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, যখন মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসে ইসরায়েলের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা ‘অ্যারো’র ক্ষেপণাস্ত্রের (ইন্টারসেপ্টর) মজুত ফুরিয়ে আসছে। যদিও এ খবর নাকচ করে দিয়েছেন ইসরায়েলের কর্মকর্তারা।প্রসঙ্গত, ইসরায়েল ১৩ জুন ভোররাতে ইরানে নজিরবিহীন হামলা শুরু করে। জবাবে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে গত কয়েক দিনে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়ে ইরান। এসব ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বেশির ভাগই আকাশে ধ্বংস করে দিয়েছে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।এবি
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
