ধামরাইয়ে রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরদারির চরম অভাব রয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা কিংবা জিডি করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেই কোনো তদারকি।সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, সম্প্রতি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের কয়েকটি সেতুর এস.এস. পাইপ, ফুট ওভারব্রিজের টিন ও মহাসড়কের বৈদ্যুতিক বাতির লাইট ও তার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও নবীনগর থেকে ঢুলিভিটার কচমচ পর্যন্ত সাত কিলোমিটারে প্রায় চার শতাধিক ল্যাম্পপোস্ট দাঁড়িয়ে রয়েছে। কোটি টাকার সড়ক বাতি লাগানো আছে ল্যাম্পপোস্টে, কিন্তু আলো জ্বলছে না। ফলে সন্ধ্যা হলেই এ এলাকায় ভূতুড়ে অবস্থা বিরাজ করে। সন্ধ্যার পর ঘটছে নানা অজানা অপ্রীতিকর ঘটনা। মহাসড়ক অন্ধকার থাকায় অপরাধীরা সহজেই পালাতে পারছে। এ ছাড়া নয়ারহাট বংশী নদীর ওপর ঢাকামুখী একটি পুরনো সেতু ও দক্ষিণ পাশে একটি নতুন সেতু রয়েছে। এ সেতু দুটিতে দেওয়া হয়েছে এস.এস. পাইপের রেলিং। এই রেলিংয়ের অনেক অংশের পাইপ কেটে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। অন্যদিকে সুতিপাড়া বাসস্ট্যান্ডে ফুট ওভারব্রিজে ছাউনি দেওয়া কয়েকটি টিন খুলে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।নিরাপদ সড়ক চাই ধামরাই শাখার সভাপতি নাহিদ মিয়া বলেন, ‘মহাসড়কের লাইটগুলো না জ্বলার কারণে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের প্রবণতা বেড়েছে। এর ফলে পথচারীরা অনেক সমস্যায় পড়ছে। বিশেষ করে নারীরা ইভটিজিংয়ের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাছাড়া অন্ধকারের ফলে অনেক সময় পথচারীরা সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছে। বিগত ৮/১০ মাস যাবৎ এমন পরিস্থিতি হলেও যথাযথ কর্তৃপক্ষের এবিষয়ে নজর দেয়নি।’এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ও.সি.) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘চুরির ঘটনায় থানায় কোনো জিডি কিংবা অভিযোগ হয়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’এসআর
Source: সময়ের কন্ঠস্বর
